৭। আত্ম দর্শন
আত্মদর্শনঃ
আমি তাকে চিনিয়াছি, আত্মগোপন করেছিল মানুষের
মাঝে।
নাগালের বাইরে যে জন সে আজ আমার বজ্র মুস্টির
অতি সন্নিকটে দাঁড়িয়ে বীর বিক্রমে কথা বলছে।
স্বীকার
করি সে এক মহা শক্তি। বিশ্ব মাঝে রব উঠেছে,
বিদ্রোহীদের কন্ঠরুল, জলছে আগুন, ছুটছে তূফান,
উলটে গেছে অসৎ মূল।
তবু
যদি করি ভুল হবে ভুল মহা ভুল।
আমারা আমাদের পথ ও মত ঠিক করিলেই
বিজয়
আসিয়া সদম্ভে সম্মুক্ষে দারাবে।
আর যদি বুঝতে না পারি সব কিছু পন্ডশ্রম হয়ে
যাবে।
অন্ধকার এরাতে পারিবোনা।
জ্ঞানের আলতে বিশ্ব যখন আলকিত হয়ে উঠিবে
তখন শান্তি আসিয়া মানুষের কাছে আশ্রয় নিবে।
একটি সত্যই কেবল আরেকটি সত্যের সন্ধান লাভ
করিতে পারে।
দুটি সত্য যখন যুগল মিলন ঘটে তখন পরম সত্য
আসিয়া
মানুষে প্রকাশ পায়। পুরুষে পরম পিতা লুকাইত।
পরম পুরুষ দর্শন হলে ধরায় স্বর্গ সৃষ্টি হয়।
নারী
হচ্ছে পরমের আবরন।
ঘোর
আধারে পরিপূর্ণ পৃথিবী ধীরে আলোকিত হয়ে উঠিতে লাগল।
পূর্ব আকাশে দেখা দিলো অরনিমা।
পরম
গপনে সৃষ্টির পানে তাকাইয়া রহিল সপ্ততল আকাশ, সপ্ততল পাতাল।
প্রকম্পিত করে প্রেমের হাসি দিয়ে নিয়মের
অভিনয় করে
বিশ্ব রাজ্যে সে স্থান করে নিল।
আঠারো হাজার মাখলুকাত তাকে ছালাম জানালো।
সে আশীর্বাদ করিল। বিশ্ব মানবতার বিজয় ঘষিত
হইল।
প্রার্থনা করা হল মানুষের জয় গাহিয়া।
মুকুট পরিয়ে দেয়া হল শিরে। বলা হল আমি নুর।
তাকাইয়া দেখিলাম সে নাই
আমিই আমার সম্মুক্ষে পরিয়া আছি।
Comments
Post a Comment